বাংলা টেলিভিশনের দুনিয়ায় দর্শক প্রিয় ধারাবাহিকের তালিকায় শুরুর দিকেই থাকবে ধারাবাহিক ইচ্ছে পুতুলের (Icche Putul) নাম। এই ধারাবাহিকটি বাঙালির অন্যতম পছন্দের ধারাবাহিক। বাঙালি দর্শকরা উত্তেজনায় টইটুম্বুর এই ধারাবাহিকটি দেখতে ভীষণ পছন্দ করছেন। আর করবেন নাই বা কেন?
ইচ্ছে পুতুল ধারাবাহিকের গল্পে রয়েছে টানটান উত্তেজনা। চমকে ভরা পর্ব। প্রত্যেকটা মুহূর্তে রয়েছে কি হয় কি হয় উন্মাদনা! আর সেই উত্তেজনা উন্মাদনাকে প্রত্যক্ষ করতেই দর্শকরা রোজ টিভি চালিয়ে বসে পড়ছেন। আসলে মেঘে ময়ূরী নীলের এই ত্রিকোণ প্রেমের কি পরিণতি হয় সেটাই চাক্ষুষ করতে চান দর্শকরা।
একঘেয়ে, গতিহীন ধারাবাহিকের তকমাকে ঝেড়ে ফেলে দুর্নিবার গতিতে ছুটে চলেছে ইচ্ছে পুতুল। দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে গেছেন এই ধারাবাহিকটিতে। এই বাংলা ধারাবাহিকটির নিয়মিত দর্শকরা কিন্তু ভালোভাবেই জানেন, এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নীলের প্রতি মেঘের দীর্ঘ অভিমান কেটে গেছে। সব ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নীলের জীবনেই ফের ফিরে যেতে চায় মেঘ।
নিজেদের ভালোবাসার কথা কি একে অপরকে বলতে পারবে মেঘ-নীল?
কিন্তু মেঘকে আর কষ্ট দিতে চায় না সৌরনীল। আর তাই সে বিচ্ছেদের সময়, বিচারপতির সামনেও তাদের বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে নিজের ঘাড়ে সমস্ত দোষ নিয়ে নেয়। যাতে মেঘকে আর কোনও বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে না হয়। যদিও আদালত থেকে মেঘ এবং সৌরনীলকে একসঙ্গে ৬ মাস থাকতে বলা হয়। কিন্তু মেঘ যদি এই পরিস্থিতিতে বিব্রত বোধ করে তাই নীল মেঘের থেকে অনেক দূরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
দিল্লির ইউনিভার্সিটিতেই ভর্তি হল মেঘ
সে দিল্লির একটি ইউনিভার্সিটিতে পড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু দূরে যাবে বললেই কি দূরে যাওয়া এত সহজ? নীল ট্রেনে উঠে দেখতে পায় মেঘও সেই ট্রেনে উঠে বসে রয়েছে। সেও যাবে নীলের সঙ্গে দিল্লির ইউনিভার্সিটিতে। কারণ সে সেখান থেকেই পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর তাই যে মেঘকে মুক্তি দেওয়ার জন্য কলকাতা ছেড়ে দিল্লির পথে রওনা হলো নীল। সেই অজানার পথেই নীলের সঙ্গী হলো মেঘ। ইচ্ছে পুতুলে চরম উত্তেজনা। যদিও মেঘ-নীলের মিলন দেখার আশায় হাপিত্যেশ করে বসে রয়েছেন দর্শকরা।
View this post on Instagram







