জনপ্রিয় চ্যানেল জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় এই মুহূর্তে যতগুলি ধারাবাহিক চলছে তার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় এবং দর্শকপ্রিয় ধারাবাহিক হল ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar kacche koi moner kotha) ধারাবাহিকটি। শুরুতে কটাক্ষ হজম করলেও এখন দারুণ জমাটি এই ধারাবাহিকের গল্প। বাঙালি মন দিয়ে এই ধারাবাহিকটি দেখছেন। কারণ ভালো গল্প আর সুঅভিনয়।
এই ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে আবারও দর্শকদের মনোরঞ্জন করছেন অভিনেত্রী মানালি দে। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়, স্নেহা চট্টোপাধ্যায়রা। ভীষণ রকম বাস্তবধর্মী ধারাবাহিকের তকমা পেয়েছিল এই ধারাবাহিকটি। তবে এই ধারাবাহিকটির গল্প কী আদৌ বাস্তবধর্মী? প্রশ্ন তুলছেন দর্শকরা।

শিমুলের পরাগের বাড়িতে থাকা না পসন্দ দর্শকদের
বিয়ের পর থেকেই বনিবনা ছিল না পরাগ-শিমুলের। কখনও পরাগ শিমুলকে বোঝার চেষ্টা করেনি। আবার শিমুলও কখনই পরাগের সঙ্গে সংসার করতে চায়নি। তাকে পরিবর্তন করতে চায়নি। আর তাই বিচ্ছেদ ছিল অনিবার্য। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে শিমুল। এমনকি মৃত্যুর মুখেও পড়েছে সে।
শিমুলের দোষেই শাস্তি পাচ্ছে সে
পরাগ, পলাশ, প্রতীক্ষা, প্রিয়াঙ্কার ষড়যন্ত্রে, শয়তানিতে ছিন্নভিন্ন হয়েছে শিমুল। কিন্তু তা সত্ত্বেও উদারতা দেখানো বন্ধ করেনি সে। এমনকি নির্লজ্জের মতো ডিভোর্সের পরেও শ্বশুরবাড়িতেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সে। যা মোটেও মেনে নিতে পারেননি দর্শকরা। তারা বলছেন আত্মসম্মানে পরিপূর্ণ কোনও মেয়ে এমন কাজ করতে পারেনা।
View this post on Instagram
সম্প্রতি নিজের স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে দেওয়ার সমস্ত দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্তও নেয় শিমুল। এমনকী হলুদ কুটতেও দেখা গেছে তাকে। যা মেনে নিতে পারেননি দর্শকরা। নারী স্বাধীনতার গল্প বলা এই ধারাবাহিকটিতে এই সব দৃশ্য নারীদের অপমান করেছে বলে মত দর্শকদের। এই ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক প্রোমোতে দেখা গেছে, পরাগকে কেউ বিষ দিয়েছে। আর শিমুলের জা প্রতীক্ষা অভিযোগের আঙুল তুলেছে শিমুলের দিকে। যদিও শাশুড়ি মধুবালা তা মানতে নারাজ। ইতিমধ্যেই পুলিশ এসে গেছে শিমুলকে ধরে নিয়ে যেতে। যদিও শিমুল বলে ‘নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে ফিরে আসব, আর নয়ত কোনদিন নিজের মুখ দেখাব।’ দর্শকরা বলছেন নিজের এই অবস্থার জন্য শুধু শিমুলই দায়ী।







